বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং বলতে একসময় বোঝাত বিদেশি সাইটে গিয়ে ডলারে পেমেন্ট করা, ইংরেজিতে সাপোর্ট পাওয়া এবং টাকা তুলতে সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করা। এই অভিজ্ঞতাটা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য কতটা হতাশাজনক ছিল, সেটা আমরা নিজেরাই টের পেয়েছিলাম।
২০১৮ সালে কিছু তরুণ প্রযুক্তিবিদ ও স্পোর্টস অনুরাগী মিলে ভাবলেন – বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলা ভাষায়, বিকাশ-নগদে, সহজ পেমেন্টে একটা নির্ভরযোগ্য বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা দরকার। সেই চিন্তা থেকেই জন্ম নিল 2222 bad।
শুরুতে কাজ সহজ ছিল না। মোবাইল ব্যাংকিং ইন্টিগ্রেশন, বাংলা ইউজার ইন্টারফেস, স্থানীয় ক্রিকেট মার্কেট – সব কিছু নতুন করে তৈরি করতে হয়েছে। কিন্তু যখন প্রথম খেলোয়াড় বললেন "বিকাশে ৫ মিনিটে টাকা পেয়েছি" – সেদিনের আনন্দটা এখনো মনে আছে।
বাংলাদেশকে কেন্দ্রে রেখে তৈরি
2222 bad-এর প্রতিটি ফিচার বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের চাহিদা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। যে মানুষটি ঢাকার রিকশা চালক থেকে শুরু করে সিলেটের চা বাগানের কর্মী – সবার জন্য একটাই মঞ্চ। বিকাশে মাত্র ৳২০০ দিয়ে শুরু করা যায়, কারণ আমরা জানি সবার পকেটের গভীরতা একরকম না।
ক্রিকেট বাংলাদেশের ধর্ম। BAN-IND টেস্ট চললে সারা দেশ থেমে যায়। 2222 bad-এ সেই আবেগকে সম্মান জানিয়ে ক্রিকেটে ৪৮টিরও বেশি বেটিং মার্কেট রাখা হয়েছে – ম্যাচ উইনার থেকে শুরু করে পাওয়ারপ্লে রান, ব্যাটার পারফরম্যান্স সব কিছু।
স্বচ্ছতাই আমাদের মূলনীতি
অনেক সাইট আছে যেখানে বোনাসের শর্ত ছোট ছোট অক্ষরে লেখা থাকে। উইথড্রয়ালে লুকানো চার্জ থাকে। আমরা সেটা করি না। 2222 bad-এ প্রতিটি বোনাসের শর্ত স্পষ্ট বাংলায় লেখা। কোনো লুকানো ফি নেই, কোনো আশ্চর্য চার্জ নেই।
আজ সাত বছর পরে, ৫ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য নিয়ে 2222 bad বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম। কিন্তু আমাদের মানসিকতা সেই একই আছে – ব্যবহারকারী প্রথম, সব কিছু পরে।